Bangla (Bengali) with Apple Safari for Windows XP

অনেক চেষ্টা করেও অ্যাপেল সাফারি ৩.১.২তে বাংলা দেখতে পেলাম না। খুব সহজে হিন্দী দেখতে পেলাম। সেটিং নিয়ে কোন লড়াই করতে হলো না।

বেশ অবাক লাগলো। এমনিতে অ্যাপেল সাফারি খুব ভাল ব্রাউসার।

 

                      

 

 

 

পরিসংখ্যান

আমাদের দেশে:

  • প্রায় ১.৫ কোটি শিশু শ্রমিক আছে যাদের বয়স ১৪ বছরের নীচে। শিশু শ্রমিকদের প্রায় পঁচাশি ভাগ গ্রামে থেকে।
  • শিশু শ্রমিকদের প্রায় ৫০ শতাংশ সপ্তাহে সাত দিন কাজ করে এবং ১৬ ঘন্টায় ১০ টাকার কম আয় করে।
  • এদের জীবনে শৈশব নেই। অনেকেই খুবই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কাজ করে।

       

আমাদের দেশে:

  • শুধু দিল্লীতেই প্রতি বারো ঘন্টায়, একজন গৃহবধূর গায়ে আগুন ধরানো হয়।
  • প্রতি আধ ঘন্টায় একজন মহিলাকে নরপশুরা বলাৎকার করে।

              

Reference: The Week, August 17, 2008

৬২তম স্বাধীনতা দিবসে সামান্য হিসেব-নিকেশ

৬২তম স্বাধীনতা দিবসে একটু হিসেব করতে বসেছি।

      

আমার দেশ আমাকে কি দিয়েছে:

  • সম্পূর্ণ বিনাপয়সায় স্বাধীনতা পেয়েছি। ব্রিটিশের উৎপাত আমাকে দেখতে অথবা সহ্য করতে হয় নি।

    • ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামের কথা শুধু ইতিহাস বইয়ে পড়ে পাশ করেছি। স্বাধীনতার মর্ম বুঝতে পারি নি।
  • ভগবানের আশীর্বাদে মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মে, নামমাত্র খরচায় স্কুলে এবং কলেজে পড়ার সুযোগ পেয়েছি। 
  • একজন শিশুর ভালভাবে বড় হওয়ার জন্য যেরকম সুস্থ পরিবেশ লাগে, আমার দেশ আমাকে সেইরকম সুস্থ এবং আধুনিক পরিবেশে দিয়েছে। বড় হওয়ার জন্য আমাকে সেরকম বাড়াবাড়ি রকমের সংগ্রাম করতে হয় নি।

        

আমি দেশকে কি দিয়েছি? এবার সেইটা লেখার সময় হয়েছে:

  • কিছুই মনে পড়ছে না।

       

 পেতে পেতে এমন বাজে অভ্যেস হয়ে গেছে, যে কিছু ফেরত দেওয়ার কথা মনে পড়ে না।

This site may harm your computer

স্টার আনন্দ বাংলা চ্যানেল এবং ওয়েবসাইট আমার বেশ ভাল লাগে। কিন্তু স্টার আনন্দ ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে আমাকে ভাল লাগতো বলতে হবে। কারণ গুগল বলছে This site may harm your computer.

গুগলে Star Ananda Live অথবা Star Ananda Live : Bengali News Channel India সার্চ করুন।   স্ক্রীনস্যটগুলো দেখলেই বুঝতে পারবেন, আমি কি বলতে চাইছি।

আবার বলি স্টার আনন্দর কোন ক্ষতি করবার ইচ্ছা আমার নেই। আমার ধারণা Star Ananda Star Ananda Liveএর দায়িত্ব অন্য কোন সংস্থাকে দিয়েছে। তারাই ডোবাচ্ছে।

 

মাইক্রসফটের লাইভ সার্চ ব্যবহার করলে এই বিষয়ে কিছুই জানা যায় না। 

Landline

জঘন্য দুর্ঘটনাটা ঘটার প্রায় দেড় ঘন্টা পরে জানতে পারলাম। ঠিক কি এবং কোথায় ঘটেছে ভাল করে বোঝার আগেই মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যSerial blast at Bangalore. Courtsey NDTV.comবহার করা একরকম অসম্ভব হয়ে পড়ল। এতদিন ভাবতাম যে ল্যাণ্ডলাইনে ফোন করবার প্রয়োজন নেই বললেই চলে। এইবার টের পেলাম ল্যাণ্ডলাইন ছাড়া গতি নেই। ভাগ্যিস্ উঠে যায় নি!

এই ধরণের ঘটনা ঘটলে, দরকার না থাকলে, যেখানে আছি সেখানে থাকাই ভাল। রাস্তায় ভীড় বাড়ালে ক্ষতি বাড়ার আশঙ্কা থেকে যায়। কিন্তু অত ভাবার সময় কোথায়? সবাই বাড়ি ফিরতে চায়। যানবাহন ঘন্টায় চার কিলোমিটার বেগে চলতে পেরেছে, এটাই যথেষ্ট। এর বেশী আশা করা অন্যায়।

একটা শহরের উপর দিয়ে ঝড় বয়ে গেল। নির্দোশ সাধারণ মানুষ বিশ্রী ভাবে নাকানি চোবানি খেল। এখন দোষীদের ধরার দায়িত্ব আমার, আপনার এবং সরকারের।

Write WordPress Post in Bangla (Bengali)

ওয়ার্ডপ্রেসে বাংলা লিখতে আমার বেশ অসুবিধে হয়। যেমন‍:

১) ওয়ার্ডপ্রেসের ভিস্যুয়াল এডিটরে ফন্ট সাইজ পাল্টানো যায় না। মাইক্রোসফটের ভ্রিন্দা ফন্ট এমনিতে বেশ ছোট। Wordpress.com Visual Editorভ্রিন্দা ফন্ট দিয়ে ফায়ারফক্সে লিখে, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে দেখলে, পড়তে বেশ অসুবিধে হয়।

২) ভিস্যুয়াল এডিটরের স্ক্রীন সাইজটা আমার কাছে বড্ড ছোট লাগে। ওপেন অফিসে লিখে ভিস্যুয়াল এডিটরে কপি-পেস্ট করলে, লাইন ব্রেকগুলো চলে যায়। খুব বিরক্ত লাগে। প্যারাগ্রাফ বলে কিছু থাকে না। তখন একমাত্র উপায়, যেখানে প্যারাগ্রাফ চাই, সেখানে <p>&nbsp;</p> ব্যবহার করা।

এই ঝামেলা এড়ানোর জন্য আমি ওয়ার্ডপ্রেসের ভিস্যুয়াল এডিটর ব্যবহার না করে, HTML মোড ব্যবহার করছি। ওয়ার্ডপ্রেসের ভিস্যুয়াল এডিটর disable করে দিয়েছি। আর এডিট করছি FCK Editorএ। ওয়ার্ডপ্রেসের জন্য, HTML সোর্সটা কপি-পেস্ট করি। FCK Editorএ Mazimize the editor size optionটা ব্যবহার করি। সুন্দর কাজ করছে। পোস্টটা পড়ে মনে কাজটা যত কঠিন মনে হচ্ছে, তত কঠিন নয়।

সেদিনের সোনা ঝরা সন্ধ্যা

//www.thehindu.com/mp/2008/05/14/stories/2008051450590100.htm)গত দশই মে, ব্যাঙ্গালোরের চৌডাইয়া মেমোরিয়াল হলে মান্না দের গান শুনলাম। সঙ্গে বিনাকা/সিবাকা গীতমালা খ্যাত আমিন সায়ানি

টিকিটের দাম ভাল। তবুও লোকজনের সমাগম বেশ ভালই হয়েছিল। দর্শকের গড় বয়স প্রায় ৪০ (চল্লিশ)। কোন স্কুল অথবা কলেজ ছাত্র চোখে পড়ল না। হয়তো কোন মান্না কণ্ঠী এলে, এনারা আসতেন!

৮৯ বছরের মান্না দে প্রায় তিন ঘণ্টা গান করলেন। শুধু আমার ভাল লেগেছে বললে কম বলা হয়। গলায় বয়সের ছাপ কখনো কখনো ধরা পড়েছে। তবে হাতি বসলেও ঘোড়ার চেয়ে লম্বা থাকে! অনেকের অনুরোধে মাত্র একটা বাংলা গান গাইলেন। “এই কুলে আমি আর ওই কুলে তুমি….”।

আমিন সায়ানির সঙ্গে অনেক গল্প করলেন। মান্না দে হিন্দী এবং বাংলায়, ওনার সময়ের প্রায় সব নায়কের গলায় গান গেয়েছেন। এমনকি কিশোরকুমারের জন্য প্লেব্যাক করেছেন। হঠাৎ গভীর রাত্রে উনি কিশোরের ফোন পেলেন। গভীর রাত্রে ফোন পেয়ে উনি অবাক। গম্ভীর গলায় ফিসফিস করে (যাতে কেউ না শুনে ফেলে!) কিশোর মান্নাদাকে জানিয়ে দিলেন যে মান্নাদা যদি পরের দিন কিশোরের জন্য গান রেকর্ডিং না করেন, তা হলে ভাল হয়। মান্নাদার খুব কৌতুহল! কোথা থেকে কিশোর ফোন করছেন? কিশোর মহাবালেশ্বরে। প্রডিউসার নাকি কিশোরকে পারিশ্রমিক দেন নি। তাই কিশোর প্রডিউসারকে ফাঁকি দিয়েছেন। গানটা নাকি কিশোরের গাওয়ার কথা ছিল। সিনেমার নামটা মান্না দে বলেন নি। আমিও জানি না।

আরও অনেক গল্প করেছেন। ছেলেবেলার গল্প। মদনমোহন, শচীন কর্তা এবং রাহুল দেবের গল্প। ওনার কাছ থেকে জানা গেল যে সায়গাল কৃষ্ণচন্দ্র দে মহাশয়কে কিষ্টবাবু বলে ডাকতেন। লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে মান্না দের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন অনিল বিশ্বাস।

সব মিলিয়ে অসাধারণ স্মরণীয় এক সন্ধ্যা।

বিরিঞ্চি বাবা

//satyajitray.ucsc.edu/films/kapurush.htmlদ্য উইক পত্রিকায় অ্যালাইভ অনলাইন লেখাটা পড়ে রীতিমতো চমকে গেলাম। খারাপও লাগলো। অর্কুট, ফেসবুক থেকে শুরু করে বিগআড্ডা অবধি বর্তমানে অজস্র স্যোসাল নেটওয়ার্কিং সাইট রয়েছে।

এই স্যোসাল নেটওয়ার্কিং সাইটে ছবি, টেক্সট, ভিডিও, অডিওর সাহায্যে মানুষ মানুষের সঙ্গে ভাবের আদান প্রদান করে, প্রাণের কথা বার্তা বলে। ঠিক আছে। ভাল ব্যাপার।

স্যোসাল নেটওয়ার্কিং সাইটে যা হয় সেটা টেলিফোন অথবা পোস্টের সাহায্য নিয়ে নীতিগত ভাবে সম্ভব। এক কালে সেটাও হতো। পত্রমিতালী অথবা পত্রবন্ধু সম্বন্ধে সঙ্গে হয়তো অনেকের ধারণা আছে।

চিন্তার বিষয়! বাস্তব জগতে যেমন প্রতারক হয়, তেমনি এই স্যোসাল নেটওয়ার্কিং জগতে প্রতারক হয়। দুঃখের বিষয় এদের ধরা বাস্তব জগতের চেয়ে অনেক শক্ত। এবং এরা আমাদের সমাজে বেশ ক্ষতি করছে। এদের মধ্যে অনেকেই আমাদের মধ্য ভদ্র সভ্য জীবন যাপন করেন। নিজের গোপনীয়তা রক্ষা করা আর ভুল তথ্য দিয়ে ভূয়ো সেজে মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা এক নয়। যেমন আমি আমার ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করি নি। কিন্তু যেটুকু তথ্য দিয়েছি, সেটা ভুল নয়।

কোন এক নিলেশ সাহ (আসল নাম নয়) যিনি বাস্তবে একজন অতি সাধারণ ইঞ্জিনারিং ছাত্র, তিনি ইন্টারনেটে লণ্ডনে বসবাসকারী এক ফিটনেস ট্রেনার। এমনিতে উনি সাইকেলও ঠিক করে চালান না।

এইরকম হরি পিল্লাই (অবশ্যই নকল নাম) নামে এক জনতা ওয়েবে রাজস্থানী ফিনানসিয়াল কনসালটেন্ট অথবা ভালবাসার গুরু (লাভ গুরু)। বাস্তবে উনি সম্পূর্ণ অন্য মানুষ। ওনার স্ত্রীও নাকি জানেন না, উনি ভার্চুয়াল জগতে কি জিনিস!

এই রকম আরো অনেক তথ্য অ্যালাইভ অনলাইন লেখাটায় আছে।

বিরিঞ্চি বাবা মুর্দাবাদ!

বাংলা কম্পিউটিঙের খোঁজ খবর

অনেকদিন বাংলা কম্পিউটিঙের খোঁজ খবর নেওয়া হয় নি। শেষ নিয়েছিলাম  ২০০৬ সালে (জুন মাসের মাঝামাঝি)

আমার মতে বাংলা কম্পিউটিঙের উপর ভাল কাজের বেশীর ভাগটাই বাংলাদেশে হয়। সেটাই স্বাভাবিক। বাংলা বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা। তাহলে কি হিন্দী কম্পিউটিঙের কাজ ভারতবর্ষে অনেক হচ্ছে। কিন্তু কাজ কি খুব ভাল হয়? বলতে পারব না। একুশে অথবা অমিক্রনল্যাবের মত ভাল ওয়েবসাইট আমার কোন ভারতীয় ভাষায় চোখে পড়ে নি।  ভাষা ইন্ডিয়া ব্যবহার হয়? হলে ভাল। আমার কোন কাজে লাগে না।

গুগল ঘেঁটে ইউনিকোড ভারতীয় অনলাইন এডিটরের সেরকম উল্লেখযোগ্য উন্নতি চোখে পড়ল না। মহাকবি মন্দ নয়। ইউনিকোড অনলাইন কোনমতে চলে যায়। এই অনলাইন এডিটরগুলো নিয়মিত ব্যবহার করা বেশ কঠিন। এডিটর না বলে টার্মিনাল বলাই ভাল। বার বার কপি পেস্ট করে কাজ করতে কার ভাল লাগবে? যদি গুগল ডক্সে বাংলা বা অন্য ভারতীয় ভাষার এডিটর এসে যায়, তাহলে বেশ উপকার হবে। গুগল ডক্সে ফায়ারফক্স প্লাগিন দিয়ে কাজ চালানো যায়। ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে প্লাগিন হয় নাকি? মাথা ব্যাথা নেই।  কিন্তু সেটা আমার কাছে দুধের সাধ ঘোলে মেটানোর মতন। বাংলায় লিখে গুগল ডক্সে পিডিএফ ফাইল বানালে বাংলা ফন্ট আসে না। যে কোনো অনলাইন অফিসে এই সমস্যা।

তবে ভারতীয় IMEর মধ্যে এই মুহূর্তে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় হল লিপিকার। আশা রাখছি খুব শীঘ্র, একুশে (একুশে অবশ্য একটা IME নয়), অভ্র এবং শাব্দিকের মত লিপিকারও ভাল সফটওয়্যার হবে। আর একই সফটওয়্যার দিয়ে মোটামুটি সব ভারতীয় ভাষায় লেখা যায়। এটা খুব ভাল সুবিধে। লিপিকারে বাংলায় লিখতে গিয়ে কিছু সমস্যা হচ্ছে। লিপিকারকে জানিয়েছি।

এখনো বাংলায় ভাল ওপেন সোর্স পাবলিশার নেই। একদিন স্ক্রাইবাস হয়তো সেই আশা পূরণ করবে।

বাংলা পত্রিকার মাইক্রোসফট

দেশ পত্রিকা খুব নিয়মিত পড়েন না এইরকম শিক্ষিত বাঙালীর সংখ্যা প্রচুর। আমি সেই দলে। কিন্তু শিক্ষিত বাঙালী দেশ পত্রিকার নাম শোনেন নি, এটা সম্ভব নয়। সেই দেশ পত্রিকা ২ নভেম্বর, ২০০৭-এ পঁচাত্তরে পা দিল। দেশ পত্রিকার জন্ম ১৯৩৩ সালের ২৪শে নভেম্বর (১৩৪০ বঙ্গাব্দের ৮ই অগ্রহায়ণ)।

আমার ধারণা ছিল, দেশ পত্রিকা বর্তমান কালে সবচেয়ে বয়স্ক পত্রিকা। কিন্তু ২ ডিসেম্বর, ২০০৭এর দেশ পত্রিকার সংখ্যা থেকেই জানতে পারলাম শ্রীরামকৃষ্ণ সংঘ প্রকাশিত বাংলা সাময়িক উদ্বোধন পত্রিকার বয়স ১০৯ বছর।

ছোটবেলা থেকে দেশ পড়ে যাচ্ছি, যদিও প্রথমবার দেশ পত্রিকা পড়ার স্মৃতি আমার নেই। নীললোহিতের লেখার সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় দেশ পত্রিকায়। যতদিন পারব, সুযোগ পেলেই দেশ পত্রিকা পড়ে যাব।

কিন্তু আজ দেশ পত্রিকার কোন সমমানের প্রতিদ্বন্দ্বী পত্রিকা নেই। বাংলা সাহিত্য জগতে কল্কে পেতে গেলে দেশ পত্রিকায় লেখা প্রকাশ হলে সবচেয়ে ভাল। এটা সুস্থ নয়। দেশ পত্রিকা সাপ্তাহিক থেকে পাক্ষিক হলেও কোন পত্রিকাই সেই শূন্য স্থানটি পূরণ করতে পারল না। সাপ্তাহিক বর্তমান পত্রিকার বিক্রী হয়তো বেশ ভাল, কিন্তু দেশ পত্রিকার ধারে কাছে আসে না।

অপ্রতিদ্বন্দী দেশ এবার এগিয়ে যাচ্ছ শতবর্ষের দিকে। থামার কোন ইঙ্গিত নেই। আর সময়মতো নিজের বিন্যাস পাল্টে দিব্যি নিজেকে সমকালীন করে রাখছে।

দেশ পত্রিকাকে আমার অনেক শুভেচ্ছা জানাই। আর আমার বিনীত প্রশ্ন – “দেশ পত্রিকা কবে অনলাইন হবে?”