ফুটবলের ‘আইপিএল’ করা নিয়ে ফেডারেশনের দ্বারস্থ ভাইচুং – আনন্দবাজার পত্রিকা

ভাইচুং-জন আব্রাহাম দু’জনে মিলে পুরো পরিকল্পনাটির নাম দিয়েছেন ‘ইণ্ডিয়ান ফুটবল লিগ।’ সংক্ষেপে আইএফএল। দু’জনে মিলে আইএফএল-এর উপর বিশাল ‘প্রোজেক্ট রিপোর্ট’-ও তৈরি করে ফেলেছেন। আইএফএল করার জন্য ভাইচুং এবং জন আব্রাহাম মিলে সংগঠকদের যে দল তৈরি করেছেন, সেখানে এই দু’জন ছাড়াও রয়েছেন আরও কয়েক জন।

ফেডারেশনের সমর্থন ছাড়া আইএফএল করা সম্ভব নয় বলে ফেডারেশন সভাপতি প্রফুল্ল পটেলের সঙ্গে মাস খানেক আগে দেখা করেন ভারত অধিনায়ক। তখনই জানা যায়, ভাইচুং-জন ছাড়া আরও তিনটে সংস্থা ইণ্ডিয়ান ফুটবল লিগ করার জন্য ফেডারেশন সভাপতির কাছে আবেদন জানিয়ে বসে আছে। আইপিএলের ধাঁচে ফুটবল লিগের উদ্ভাবক হওয়ার জন্য ভাইচুংকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে এই তিনটে সংস্থার সঙ্গে। মুকেশ অম্বানীর রিলায়েন্স এবং আইএমজি একত্রে একটি পরিকল্পনা জমা দিয়েছে। বাকি দুটি গোষ্ঠী হল, রাজকুন্দ্রা-শিল্পা শেঠি এবং ইউরোপিয়ান একটি সংস্থা। ভাইচুং-জন আব্রাহামের মত তাঁরাও প্রফুল্ল পটেলের কাছে ‘প্রোজেক্ট’ জমা দিয়েছেন।

via anandabazar-unicode.appspot.com

পড়তে ভালই লাগলো। কিন্তু কবে হবে? আর হলে ফাটাফাটি হবে। ভারতীয় ফুটবলের অনেক উন্নতি হবে।

 

Advertisements

Arsalan, in Bangalore, is a chain from Kolkata and specializes in the Mughlai khana which is well known in Kolkata …

I entered Arsalan and was overwhelmed by the waft of spices and scents in the air. If restaurants could be considered attractive by the way they smell alone, then this one’s a winner. It’s not high on looks though. Spread across three floors of a narrow building, Arsalan isn’t a place that calls for elaborate descriptions of its ambience.

 

আমি কোলকাতার আরসালানে কখনো খাই নি। বেঙ্গালুরুর আরসালানে খাবার ভাল। কিন্তু, একটু চেষ্টা করলেই, খাওয়ার পরিবেশের উন্নতি করা যায়। আমার মনে হয় ওখানে বসে খাওয়ার চেয়ে, খাবারটা বাড়িতে নিয়ে এসে খাওয়া ভাল।

আরসালানের চিকেন বিরিয়ানি বেশ উপাদেয়। আমার ফিরনিও ভাল লেগেছে।

 

From Phoenix to Google Chrome

গুগলের নতুন ক্রোম ব্রাউজার নিয়ে এর মধ্যে অনেক চর্চা হয়ে গেছে। নতুন ব্রাউজার। আমার ফায়ারফক্সের প্রথম ভার্সানের কথা মনে পড়ে গেল। প্রায় ৬ বছর আগের কথা। তখন ফিনিক্স নাম ছিল। আমার বাড়িতে তখন উইন্ডোজ ৯৮। প্রচুর উৎসাহ নিয়ে বাড়িতে ফিনিক্স ব্যবহার করতাম। সে এক ধরণের মুক্তি, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের হাত থেকে। তারও আগে মোজিলা ১.০ ডাউনলোড করেছিলাম। কিন্তু কোন কারণে খুব বেশী ব্যবহার করতাম না। কিন্তু ২০০২ সালের শেষের দিকে ফিনিক্স আসার পর থেকে আর ফিরে তাকাই নি। তারপর থেকে দায় না পড়লে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার চালাতাম না। তখন মোজিলা ব্রাউজারও আপডেট করে রাখতাম, মাঝে মাঝে ফিনিক্স টেষ্ট করবার জন্য। এই সব কিছু হয়েছে, ডায়াল-আপ কানেকশান দিয়ে। মাঝে মাঝে ভাবি, কি অসীম ধৈর্য্য ছিল! মোজিলা ব্রাউজার কিন্তু হারিয়ে যায় নি। আজকাল মেজিলা ব্রাউজারকে সি-মাংকি বলে। যাইহোক, তারপর কাবেরী দিয়ে অনেক জল গড়ালো। ফিনিক্স থেকে ফায়ারফক্সে হলো। বাকিটা ইতিহাস। আমার মতে গুগলের নতুন ক্রোম ব্রাউজার ফায়ারফক্সের উত্তরসূরী। কারণ ক্রোম ব্রাউজারও ওপেনসোর্স। যদিও ক্রোম ব্রাউজারের কিছু উপাদান অ্যাপেলে সাফারিতে ব্যবহার হয়।

এখন প্রশ্ন হলো, ফায়ারফক্স না ক্রোম ব্রাউজার? দুটোই থাকুক না। একটা বাগানে শুধু এক রকম ফুল কি ভাল লাগে? এই লেখাটা ক্রোম ব্রাউজারে শুরু করেছিলাম। শেষ করলাম ফায়ারফক্সে।

৬২তম স্বাধীনতা দিবসে সামান্য হিসেব-নিকেশ

৬২তম স্বাধীনতা দিবসে একটু হিসেব করতে বসেছি।

      

আমার দেশ আমাকে কি দিয়েছে:

  • সম্পূর্ণ বিনাপয়সায় স্বাধীনতা পেয়েছি। ব্রিটিশের উৎপাত আমাকে দেখতে অথবা সহ্য করতে হয় নি।

    • ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামের কথা শুধু ইতিহাস বইয়ে পড়ে পাশ করেছি। স্বাধীনতার মর্ম বুঝতে পারি নি।
  • ভগবানের আশীর্বাদে মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মে, নামমাত্র খরচায় স্কুলে এবং কলেজে পড়ার সুযোগ পেয়েছি। 
  • একজন শিশুর ভালভাবে বড় হওয়ার জন্য যেরকম সুস্থ পরিবেশ লাগে, আমার দেশ আমাকে সেইরকম সুস্থ এবং আধুনিক পরিবেশে দিয়েছে। বড় হওয়ার জন্য আমাকে সেরকম বাড়াবাড়ি রকমের সংগ্রাম করতে হয় নি।

        

আমি দেশকে কি দিয়েছি? এবার সেইটা লেখার সময় হয়েছে:

  • কিছুই মনে পড়ছে না।

       

 পেতে পেতে এমন বাজে অভ্যেস হয়ে গেছে, যে কিছু ফেরত দেওয়ার কথা মনে পড়ে না।

Landline

জঘন্য দুর্ঘটনাটা ঘটার প্রায় দেড় ঘন্টা পরে জানতে পারলাম। ঠিক কি এবং কোথায় ঘটেছে ভাল করে বোঝার আগেই মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যSerial blast at Bangalore. Courtsey NDTV.comবহার করা একরকম অসম্ভব হয়ে পড়ল। এতদিন ভাবতাম যে ল্যাণ্ডলাইনে ফোন করবার প্রয়োজন নেই বললেই চলে। এইবার টের পেলাম ল্যাণ্ডলাইন ছাড়া গতি নেই। ভাগ্যিস্ উঠে যায় নি!

এই ধরণের ঘটনা ঘটলে, দরকার না থাকলে, যেখানে আছি সেখানে থাকাই ভাল। রাস্তায় ভীড় বাড়ালে ক্ষতি বাড়ার আশঙ্কা থেকে যায়। কিন্তু অত ভাবার সময় কোথায়? সবাই বাড়ি ফিরতে চায়। যানবাহন ঘন্টায় চার কিলোমিটার বেগে চলতে পেরেছে, এটাই যথেষ্ট। এর বেশী আশা করা অন্যায়।

একটা শহরের উপর দিয়ে ঝড় বয়ে গেল। নির্দোশ সাধারণ মানুষ বিশ্রী ভাবে নাকানি চোবানি খেল। এখন দোষীদের ধরার দায়িত্ব আমার, আপনার এবং সরকারের।

বিরিঞ্চি বাবা

//satyajitray.ucsc.edu/films/kapurush.htmlদ্য উইক পত্রিকায় অ্যালাইভ অনলাইন লেখাটা পড়ে রীতিমতো চমকে গেলাম। খারাপও লাগলো। অর্কুট, ফেসবুক থেকে শুরু করে বিগআড্ডা অবধি বর্তমানে অজস্র স্যোসাল নেটওয়ার্কিং সাইট রয়েছে।

এই স্যোসাল নেটওয়ার্কিং সাইটে ছবি, টেক্সট, ভিডিও, অডিওর সাহায্যে মানুষ মানুষের সঙ্গে ভাবের আদান প্রদান করে, প্রাণের কথা বার্তা বলে। ঠিক আছে। ভাল ব্যাপার।

স্যোসাল নেটওয়ার্কিং সাইটে যা হয় সেটা টেলিফোন অথবা পোস্টের সাহায্য নিয়ে নীতিগত ভাবে সম্ভব। এক কালে সেটাও হতো। পত্রমিতালী অথবা পত্রবন্ধু সম্বন্ধে সঙ্গে হয়তো অনেকের ধারণা আছে।

চিন্তার বিষয়! বাস্তব জগতে যেমন প্রতারক হয়, তেমনি এই স্যোসাল নেটওয়ার্কিং জগতে প্রতারক হয়। দুঃখের বিষয় এদের ধরা বাস্তব জগতের চেয়ে অনেক শক্ত। এবং এরা আমাদের সমাজে বেশ ক্ষতি করছে। এদের মধ্যে অনেকেই আমাদের মধ্য ভদ্র সভ্য জীবন যাপন করেন। নিজের গোপনীয়তা রক্ষা করা আর ভুল তথ্য দিয়ে ভূয়ো সেজে মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা এক নয়। যেমন আমি আমার ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করি নি। কিন্তু যেটুকু তথ্য দিয়েছি, সেটা ভুল নয়।

কোন এক নিলেশ সাহ (আসল নাম নয়) যিনি বাস্তবে একজন অতি সাধারণ ইঞ্জিনারিং ছাত্র, তিনি ইন্টারনেটে লণ্ডনে বসবাসকারী এক ফিটনেস ট্রেনার। এমনিতে উনি সাইকেলও ঠিক করে চালান না।

এইরকম হরি পিল্লাই (অবশ্যই নকল নাম) নামে এক জনতা ওয়েবে রাজস্থানী ফিনানসিয়াল কনসালটেন্ট অথবা ভালবাসার গুরু (লাভ গুরু)। বাস্তবে উনি সম্পূর্ণ অন্য মানুষ। ওনার স্ত্রীও নাকি জানেন না, উনি ভার্চুয়াল জগতে কি জিনিস!

এই রকম আরো অনেক তথ্য অ্যালাইভ অনলাইন লেখাটায় আছে।

বিরিঞ্চি বাবা মুর্দাবাদ!

বাংলা কম্পিউটিঙের খোঁজ খবর

অনেকদিন বাংলা কম্পিউটিঙের খোঁজ খবর নেওয়া হয় নি। শেষ নিয়েছিলাম  ২০০৬ সালে (জুন মাসের মাঝামাঝি)

আমার মতে বাংলা কম্পিউটিঙের উপর ভাল কাজের বেশীর ভাগটাই বাংলাদেশে হয়। সেটাই স্বাভাবিক। বাংলা বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা। তাহলে কি হিন্দী কম্পিউটিঙের কাজ ভারতবর্ষে অনেক হচ্ছে। কিন্তু কাজ কি খুব ভাল হয়? বলতে পারব না। একুশে অথবা অমিক্রনল্যাবের মত ভাল ওয়েবসাইট আমার কোন ভারতীয় ভাষায় চোখে পড়ে নি।  ভাষা ইন্ডিয়া ব্যবহার হয়? হলে ভাল। আমার কোন কাজে লাগে না।

গুগল ঘেঁটে ইউনিকোড ভারতীয় অনলাইন এডিটরের সেরকম উল্লেখযোগ্য উন্নতি চোখে পড়ল না। মহাকবি মন্দ নয়। ইউনিকোড অনলাইন কোনমতে চলে যায়। এই অনলাইন এডিটরগুলো নিয়মিত ব্যবহার করা বেশ কঠিন। এডিটর না বলে টার্মিনাল বলাই ভাল। বার বার কপি পেস্ট করে কাজ করতে কার ভাল লাগবে? যদি গুগল ডক্সে বাংলা বা অন্য ভারতীয় ভাষার এডিটর এসে যায়, তাহলে বেশ উপকার হবে। গুগল ডক্সে ফায়ারফক্স প্লাগিন দিয়ে কাজ চালানো যায়। ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে প্লাগিন হয় নাকি? মাথা ব্যাথা নেই।  কিন্তু সেটা আমার কাছে দুধের সাধ ঘোলে মেটানোর মতন। বাংলায় লিখে গুগল ডক্সে পিডিএফ ফাইল বানালে বাংলা ফন্ট আসে না। যে কোনো অনলাইন অফিসে এই সমস্যা।

তবে ভারতীয় IMEর মধ্যে এই মুহূর্তে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় হল লিপিকার। আশা রাখছি খুব শীঘ্র, একুশে (একুশে অবশ্য একটা IME নয়), অভ্র এবং শাব্দিকের মত লিপিকারও ভাল সফটওয়্যার হবে। আর একই সফটওয়্যার দিয়ে মোটামুটি সব ভারতীয় ভাষায় লেখা যায়। এটা খুব ভাল সুবিধে। লিপিকারে বাংলায় লিখতে গিয়ে কিছু সমস্যা হচ্ছে। লিপিকারকে জানিয়েছি।

এখনো বাংলায় ভাল ওপেন সোর্স পাবলিশার নেই। একদিন স্ক্রাইবাস হয়তো সেই আশা পূরণ করবে।

বাংলা পত্রিকার মাইক্রোসফট

দেশ পত্রিকা খুব নিয়মিত পড়েন না এইরকম শিক্ষিত বাঙালীর সংখ্যা প্রচুর। আমি সেই দলে। কিন্তু শিক্ষিত বাঙালী দেশ পত্রিকার নাম শোনেন নি, এটা সম্ভব নয়। সেই দেশ পত্রিকা ২ নভেম্বর, ২০০৭-এ পঁচাত্তরে পা দিল। দেশ পত্রিকার জন্ম ১৯৩৩ সালের ২৪শে নভেম্বর (১৩৪০ বঙ্গাব্দের ৮ই অগ্রহায়ণ)।

আমার ধারণা ছিল, দেশ পত্রিকা বর্তমান কালে সবচেয়ে বয়স্ক পত্রিকা। কিন্তু ২ ডিসেম্বর, ২০০৭এর দেশ পত্রিকার সংখ্যা থেকেই জানতে পারলাম শ্রীরামকৃষ্ণ সংঘ প্রকাশিত বাংলা সাময়িক উদ্বোধন পত্রিকার বয়স ১০৯ বছর।

ছোটবেলা থেকে দেশ পড়ে যাচ্ছি, যদিও প্রথমবার দেশ পত্রিকা পড়ার স্মৃতি আমার নেই। নীললোহিতের লেখার সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় দেশ পত্রিকায়। যতদিন পারব, সুযোগ পেলেই দেশ পত্রিকা পড়ে যাব।

কিন্তু আজ দেশ পত্রিকার কোন সমমানের প্রতিদ্বন্দ্বী পত্রিকা নেই। বাংলা সাহিত্য জগতে কল্কে পেতে গেলে দেশ পত্রিকায় লেখা প্রকাশ হলে সবচেয়ে ভাল। এটা সুস্থ নয়। দেশ পত্রিকা সাপ্তাহিক থেকে পাক্ষিক হলেও কোন পত্রিকাই সেই শূন্য স্থানটি পূরণ করতে পারল না। সাপ্তাহিক বর্তমান পত্রিকার বিক্রী হয়তো বেশ ভাল, কিন্তু দেশ পত্রিকার ধারে কাছে আসে না।

অপ্রতিদ্বন্দী দেশ এবার এগিয়ে যাচ্ছ শতবর্ষের দিকে। থামার কোন ইঙ্গিত নেই। আর সময়মতো নিজের বিন্যাস পাল্টে দিব্যি নিজেকে সমকালীন করে রাখছে।

দেশ পত্রিকাকে আমার অনেক শুভেচ্ছা জানাই। আর আমার বিনীত প্রশ্ন – “দেশ পত্রিকা কবে অনলাইন হবে?”

Will Firefox 3 be a problem for Microsoft Office?

আমার ব্লগের টাইটেলের প্রশ্নের উত্তর আমার নিজেরই জানা নেই। সফটওয়্যারের মধ্যে মাইক্রোসফট অফিস হল হাতির মত। বিশাল সফটওয়্যার। নিজের বাণিজ্যিক নিয়মে চলে। কাউকে তোয়াক্কা করতে চায় না। এই হাতির প্রয়োজন আছে। সকলের কাজে লাগে। বিনা পয়সায় পেলে আরো ভাল লাগে।

গুগলের একটা চমৎকার অনলাইন সার্ভিস হল গুগল ডক্‌স – স্প্রেডশীট এবং ডকুমেন্ট লেখার জন্য।খুবই ভাল যদি সবসময় ইন্টারনেট থাকে। আর না থাকলে গুগল ডক্‌স মোটেই ব্যবহারযোগ্য নয়। ফায়ারফক্স ৩ এই পরিস্থিতির একটা পরিবর্তন ঘটাবে। শুধু গুগল ডক্‌স নয় চাইলে ফায়ারফক্স ৩-এ যে কোন ওয়েব ভিত্তিক অ্যাপলিকেশন অফলাইনে চলবে। অ্যাডোবের অ্যাপোলোতেও চাইলে এই সুবিধা থাকবে। চাইলে বলছি কেন? কারণ এই সুবিধে পেতে গেলে বর্তমান ওয়েব অ্যাপলিকেশনগুলোর মধ্যে কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে হবে। বর্তমানে যে অবস্থায় আছে, সেই অবস্থায় চলবে না।

এদিকে মাইক্রোসফট অনলাইন জগতে ঠিক কি করবে ভাবতে ভাবতে, গুগলের গেপ বাজারে এসে গেল। ভবিষ্যতে যদি গেপ ইন্টারনেটের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়াই চলতে পারে, তাহলে মাইক্রোসফট অফিসের কি হবে?

লেখা শুরু করেছিলাম মাইক্রোসফট অফিসকে হাতির সঙ্গে তুলনা করে। মনে রাখতে হবে হাতি বসলেও ঘোড়ার চেয়ে লম্বা থাকে। হাতি থাকবে। হয়তো খুব একটা আনন্দে থাকবে না।

Parzania – Heaven That Could Have Existed Amongst Us

২০০৫ সালে গোয়ায় ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভাল অফ ইন্ডিয়ায় পারজানিয়া সিনেমাটা প্রথম দেখান হয়। এর প্রায় দু বছর বাদে পরিচালক রাহুল ঢোলাকিয়া। কৃতজ্ঞতা স্বীকার: www.rediff.com পারজানিয়া ২৬শে জানুয়ারী (২০০৭) থেকে ব্যাঙ্গালোরে প্রথম দেখানো শুরু হল।

গত শনিবার আমি পারজানিয়া দেখলাম আমার পরিচিত এক আর্জেন্টিনীয ভদ্রলোকের সঙ্গে। উনি অল্পদিন হল ভারতে এসেছেন। এই ভারত উপমহাদেশের ইতিহাস এবং সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর সঙ্গে বিশেষ পরিচিতি থাকবার কথা নয়। তবুও আমি আশ্চর্য হলাম না, যখন দেখলাম যে আমার মত উনিও সিনেমার পর্দায় আরো একবার উপলব্ধি করলেন মনুষ্যত্যের মৃত্যু। আরো একবার বলার কারণ হল যে আবহমানকাল ধরে সারা পৃথিবীতে নানা কারণে নানা ভাবে মনুষ্যত্যের মৃত্যু হয়ে আসছে। পারজানিয়া আমাদের বোঝাল কেন সিনেমাকে সমাজের দর্পণ বলা হয়। নিজেদের বিবেককে নিজেদের সামনে দাঁড় করিয়ে দিল।

আমার ব্লগের পাঠকদের অনুরোধ করব সিনেমাটা দেখতে। হলে গিয়ে দেখলে ভাল। না হলে সিডি অথবা ডিভিডি নিয়ে এসে দেখা উচিৎ। বাংলা ব্লগ এমনিতেই খুব কম লোকে পড়ে। তবুও যদি একজনও এই ব্লগ পড়ে সিনেমটা দেখেন, তাহলে জানব যে আমার এই ব্লগ লেখা সার্থক।

পারজানিয়ার মতো সূক্ষ এবং সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে সিনেমা করতে গেলে পরিচালক রাহুল ঢোলাকিয়ার মতো সাহসী হতে হয়। ওনাকে ধন্যবাদ।

সেই প্রস্তর যুগ থেকে পারজানরা হয়তো মর্ত্যলোকে স্বর্গের স্বপ্ন দেখে আসছে। সেই স্বপ্নপূরণ না করবার জন্য আমরা সবাই চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমি, আপনি সবাই। নিজেকে নিয়ে আমরা যে বড়ই ব্যস্ত।

আবার বলি, পারলে সিনেমাটা দেখবেন।