সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

এমনিতেই আজকের বাঙালীর বাংলা সাহিত্যের প্রতি আকর্ষণ কম। নীললোহিতের অনুপস্থিতিতে সেটা আরো বাড়বে। Amazon Kindle Store-এ কোন উল্লেখযোগ্য বাংলা ই-বুক নেই। বাংলায় সুনীলের বইযের ই-বুক যদি কোন প্রকাশক বের করেন, সেটা সুনীলের মতো আধুনিক মনস্ক মানুষের প্রতি যথার্থ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন হবে।

চলে গেলেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

আনন্দবাজার পত্রিকা – দুর্গা পুজোর নির্ঘণ্ট ১৪১৯

আনন্দবাজারকে কিছু বলার নেই। দুর্গা পুজোর নির্ঘন্টে বেঙ্গালুরু বাদ। পুজোর নির্ঘন্টে দিল্লি, মুম্বাই আছে। ঠিক আছে। চেন্নাইও আছে। আমি নিশ্চিৎ যে চেন্নাইয়ের চেয়ে বেঙ্গালুরুতে অনেক বেশী সংখ্যায় দুর্গা পুজো হয়।

আনন্দবাজার পত্রিকা -দুর্গাপুজোর নির্ঘণ্ট ১৪১৯.

কিশোরকুমারকে বেঙ্গালুরুর স্মরণ

দেখে খুব ভাল লাগলো যে মৃত্যুর পঁচিশ বছর পরেও বেঙ্গালুরু কিশোরকুমারকে বিশেষ ভাবে মনে রেখেছে। এমনিতে বেঙ্গালুরুর এফ.এম চ্যনেলগুলোতে সারা বছর কিশোরকুমারের গান নিয়মিত শুনতে পাওয়া যায়।

http://bit.ly/QCIXya

ফুটবলের ‘আইপিএল’ করা নিয়ে ফেডারেশনের দ্বারস্থ ভাইচুং – আনন্দবাজার পত্রিকা

ভাইচুং-জন আব্রাহাম দু’জনে মিলে পুরো পরিকল্পনাটির নাম দিয়েছেন ‘ইণ্ডিয়ান ফুটবল লিগ।’ সংক্ষেপে আইএফএল। দু’জনে মিলে আইএফএল-এর উপর বিশাল ‘প্রোজেক্ট রিপোর্ট’-ও তৈরি করে ফেলেছেন। আইএফএল করার জন্য ভাইচুং এবং জন আব্রাহাম মিলে সংগঠকদের যে দল তৈরি করেছেন, সেখানে এই দু’জন ছাড়াও রয়েছেন আরও কয়েক জন।

ফেডারেশনের সমর্থন ছাড়া আইএফএল করা সম্ভব নয় বলে ফেডারেশন সভাপতি প্রফুল্ল পটেলের সঙ্গে মাস খানেক আগে দেখা করেন ভারত অধিনায়ক। তখনই জানা যায়, ভাইচুং-জন ছাড়া আরও তিনটে সংস্থা ইণ্ডিয়ান ফুটবল লিগ করার জন্য ফেডারেশন সভাপতির কাছে আবেদন জানিয়ে বসে আছে। আইপিএলের ধাঁচে ফুটবল লিগের উদ্ভাবক হওয়ার জন্য ভাইচুংকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে এই তিনটে সংস্থার সঙ্গে। মুকেশ অম্বানীর রিলায়েন্স এবং আইএমজি একত্রে একটি পরিকল্পনা জমা দিয়েছে। বাকি দুটি গোষ্ঠী হল, রাজকুন্দ্রা-শিল্পা শেঠি এবং ইউরোপিয়ান একটি সংস্থা। ভাইচুং-জন আব্রাহামের মত তাঁরাও প্রফুল্ল পটেলের কাছে ‘প্রোজেক্ট’ জমা দিয়েছেন।

via anandabazar-unicode.appspot.com

পড়তে ভালই লাগলো। কিন্তু কবে হবে? আর হলে ফাটাফাটি হবে। ভারতীয় ফুটবলের অনেক উন্নতি হবে।

 

Arsalan, in Bangalore, is a chain from Kolkata and specializes in the Mughlai khana which is well known in Kolkata …

I entered Arsalan and was overwhelmed by the waft of spices and scents in the air. If restaurants could be considered attractive by the way they smell alone, then this one’s a winner. It’s not high on looks though. Spread across three floors of a narrow building, Arsalan isn’t a place that calls for elaborate descriptions of its ambience.

 

আমি কোলকাতার আরসালানে কখনো খাই নি। বেঙ্গালুরুর আরসালানে খাবার ভাল। কিন্তু, একটু চেষ্টা করলেই, খাওয়ার পরিবেশের উন্নতি করা যায়। আমার মনে হয় ওখানে বসে খাওয়ার চেয়ে, খাবারটা বাড়িতে নিয়ে এসে খাওয়া ভাল।

আরসালানের চিকেন বিরিয়ানি বেশ উপাদেয়। আমার ফিরনিও ভাল লেগেছে।

 

Kishore Kumar – My Everlasting Memory

২২টা বছর ধরে একটা স্মৃতি বয়ে বেড়াচ্ছি। ১৩ অক্টোবর, ১৯৮৭।

বাড়ির গেট থেকে ভাইয়ের চিৎকার। “দাদা কিশোরকুমার মারা গেছেন”। (ভাই কোথাও একটা গিয়েছিল। তাড়াহুড়ো করে ফিরে এসেছিল।)

দিল্লী দূরদর্শনে রিনি সাইমনের (এখন খান্না) রাত নটার খবর পড়া। “The noted singer Kishore kumar is no more”।

বাংলা দূরদর্শনের অবহেলা।

পরের দিন সব বাংলা কাগজ কেনা।

 

 

Posted via web from ফেরারি মন

কবি রমেন্দ্রকুমার আচার্য চৌধুরী

কবি রমেন্দ্রকুমার আচার্য চৌধুরী গতকাল (Bengali poet Ramendrakumar Acharya Chowdhury) (৫ই জুন, ২০০৯, ভারতীয় সময় সকাল ৬-৩০) পরলোকে গমন করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

কবি দাদুর সঙ্গে আমার দেখা হলো না।

তুকারাম ওম্বলে

তুকারাম ওম্বলে – নামটা কি চেনা চেনা লাগছে? ভদ্রলোকের বয়স ৪৮ বছর। মুম্বাই শহরের (ডি. বি. মার্গ পুলিশ স্টেশন) অ্যাসিস্টাTukaram Omble's brother (L) and daughter sit in front of his photograph in their home (Courtesy IBNLive)ন্ট সাব-ইন্সপেক্টর। অ্যাসিস্টান্ট সাব-ইন্সপেক্টর ছিলেন। হ্যাঁ ছিলেন। কারণ এখন উনি অতীত। চেষ্টা করেও ইন্টারনেটে ওনার কোন ছবি পেলাম নাজ যে আমরা একমাত্র ধৃত জঙ্গী আজমাল আমির কাসবের কাছ থেকে এত তথ্য পাচ্ছি, তার জন্য আমরা বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞ থাকব, তুকারাম ওম্বলের কাছে। দেশের জন্য এই রকম নিঃস্বার্থ আত্মবলিদান আমি আমার জীবদ্দশায় শুনি নি। ইতিহাসের বইতে অবশ্য পড়েছি।

মুম্বাইয়ের উগ্রবাদী আক্রমন দমনে যাঁরা তুকারাম ওম্বলের মত শহীদ হয়েছেন তাঁদের এই অসামান্য অবদানকে আমি সশ্রদ্ধ চিত্তে সেলাম জানাই।

তুকারাম ওম্বলের একটি ছবি দ্য উইক পত্রিকার ১৪ই ডিসেম্বর সংখ্যায় ৩০ নম্বর পৃষ্ঠায় আছে।

From Phoenix to Google Chrome

গুগলের নতুন ক্রোম ব্রাউজার নিয়ে এর মধ্যে অনেক চর্চা হয়ে গেছে। নতুন ব্রাউজার। আমার ফায়ারফক্সের প্রথম ভার্সানের কথা মনে পড়ে গেল। প্রায় ৬ বছর আগের কথা। তখন ফিনিক্স নাম ছিল। আমার বাড়িতে তখন উইন্ডোজ ৯৮। প্রচুর উৎসাহ নিয়ে বাড়িতে ফিনিক্স ব্যবহার করতাম। সে এক ধরণের মুক্তি, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের হাত থেকে। তারও আগে মোজিলা ১.০ ডাউনলোড করেছিলাম। কিন্তু কোন কারণে খুব বেশী ব্যবহার করতাম না। কিন্তু ২০০২ সালের শেষের দিকে ফিনিক্স আসার পর থেকে আর ফিরে তাকাই নি। তারপর থেকে দায় না পড়লে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার চালাতাম না। তখন মোজিলা ব্রাউজারও আপডেট করে রাখতাম, মাঝে মাঝে ফিনিক্স টেষ্ট করবার জন্য। এই সব কিছু হয়েছে, ডায়াল-আপ কানেকশান দিয়ে। মাঝে মাঝে ভাবি, কি অসীম ধৈর্য্য ছিল! মোজিলা ব্রাউজার কিন্তু হারিয়ে যায় নি। আজকাল মেজিলা ব্রাউজারকে সি-মাংকি বলে। যাইহোক, তারপর কাবেরী দিয়ে অনেক জল গড়ালো। ফিনিক্স থেকে ফায়ারফক্সে হলো। বাকিটা ইতিহাস। আমার মতে গুগলের নতুন ক্রোম ব্রাউজার ফায়ারফক্সের উত্তরসূরী। কারণ ক্রোম ব্রাউজারও ওপেনসোর্স। যদিও ক্রোম ব্রাউজারের কিছু উপাদান অ্যাপেলে সাফারিতে ব্যবহার হয়।

এখন প্রশ্ন হলো, ফায়ারফক্স না ক্রোম ব্রাউজার? দুটোই থাকুক না। একটা বাগানে শুধু এক রকম ফুল কি ভাল লাগে? এই লেখাটা ক্রোম ব্রাউজারে শুরু করেছিলাম। শেষ করলাম ফায়ারফক্সে।

Hotmail to GMail

হটমেল থেকে প্রথমবার জিমেলে মেল এলে, জিমেল সেটা স্প্যাম হিসাবে দেখে। আজ দুবার ঘটনাটা হলো। চিন্তার বিষয়। তার মানে জিমেলের স্প্যাম ফোল্ডার মাঝে মাঝে পরীক্ষা করতে হবে। অশান্তি!