২২টা বছর ধরে একটা স্মৃতি বয়ে বেড়াচ্ছি। ১৩ অক্টোবর, ১৯৮৭।
বাড়ির গেট থেকে ভাইয়ের চিৎকার। “দাদা কিশোরকুমার মারা গেছেন”। (ভাই কোথাও একটা গিয়েছিল। তাড়াহুড়ো করে ফিরে এসেছিল।)
দিল্লী দূরদর্শনে রিনি সাইমনের (এখন খান্না) রাত নটার খবর পড়া। “The noted singer Kishore kumar is no more”।
বাংলা দূরদর্শনের অবহেলা।
পরের দিন সব বাংলা কাগজ কেনা।

Posted via web from ফেরারি মন










নমস্কার! ইডেন উদ্যান থেকে বলছি
নভেম্বর 7, 2008 — bhadraনমস্কার! ইডেন উদ্যান থেকে বলছি অজয় বসু। আমার সঙ্গে আছেন পুষ্পেন সরকার ……….. আর বিশেষজ্ঞের মতামত দেবেন কার্তিক বসু। চমৎকার পরিবেশ ……….. সবুজ মাঠ ……….. উত্তর দিক থেকে গঙ্গার হাওয়া .……….. হাজার হাজার কালো মাথা ……….. টস হয়ে গেছে ……….. । আসছেন রবার্টস ……….. খাটো লেংথের বল ……….. অফ স্টাম্পের একটু বাইরে ……….. দেখেশুনে ছেড়ে দিলেন ………..। পরের বল ……….. চার! ……….. চমৎকার কভার ড্রাইভ ………..। ফিল্ডিঙের একটু রদবদল ……….. তিনটে স্লিপ, একটা গালি ……….. চলেছেন রবার্টস ……….. গুড লেংথ বল ……….. বোলার পরিবর্তন ……….. ল্যান্স গিবস ……….. ওভার দ্য উইকেট ……….. দেখেশুনে খেললেন ……….. বোলারের হাতে ফেরৎ যাওয়ার আগেই এক রান ……….. দলের রান গিয়ে দাঁড়ালো ……….. এর মধ্যে নিজের সংগ্রহ ……….. ছটা চার, একটা ছয় ……….. কার্তিক তোমার কি মনে হয়? ………..
আমি বলব সৌরভ, শচীন, রাহুলের দুর্ভাগ্য। সেই সঙ্গে আমাদেরও। পঞ্চাস, ষাট, সত্তর এবং কিছুটা আশির দশকে বাঙালীর মনে ক্রিকেটকে রোমান্টিক করে তোলার পেছনে অজয় বসু, পুষ্পেন সরকার, কমল ভট্টাচার্য্য, প্রেমাংশু চ্যাটার্জি, কার্তিক বসুদের বেতার ধারাবিবরণীর (রেডিওতে রিলে বলতাম) অনেক অবদান। গুগলে সার্চ করে এনাদের একটা ছবিও পেলাম না। এনারা না থাকলে পাতৌদি, বেদী, প্রসন্ন, চন্দ্রশেখর, গাভাসকার, বিশ্বনাথরা বাঙালীর মনে অমর হয়ে যেতেন কিনা সন্দেহ হয়। আমি খুব অবাক হবো, যদি জানতে পারি ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা এঁদের জন্যে কিছু ভেবেছেন এবং করেছেন।
অজয় বসু এবং কার্তিক বসু আমাদের মধ্যে নেই। আমার স্মৃতি তাই বলছে। বাকিদের খবর কেউ জানেন? শেষ কবে শুনেছিলাম "নমস্কার! ইডেন থেকে বলছি ……….."? আমার মনে পড়ছে না।
আকাশবাণী একটু চেষ্টা করলে হয়তো এই ধারাবিবরণীগুলোর একটা সিডি বের করতে পারবে। কেউ শুনছেন?